হেলথ ইনফো ডেস্ক :
বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স অ্যান্ড সার্জন্স (বিসিপিএস) সংশ্লিষ্ট সাম্প্রতিক একটি নোটিশকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সৃষ্ট বিভ্রান্তি ও উদ্বেগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির কয়েকজন কাউন্সিলর। তারা বলেছেন, কোথায় এবং কীভাবে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে কিংবা পদায়নের কাঠামো কেমন হবে—এ বিষয়ে এখনো বিসিপিএস কাউন্সিল কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি।
বুধবার (৩ মে) রাতে এক যৌথ বিবৃতিতে বিসিপিএসের কাউন্সিলর অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর, অধ্যাপক ডা. নুরুদ্দীন আহমেদ, অধ্যাপক ডা. লুৎফুল আজিজ এবং অধ্যাপক ডা. সেহেরিন ফরহাদ সিদ্দিকা এ তথ্য জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সম্প্রতি প্রশিক্ষণ ভাতা, প্রশিক্ষণের পদায়ন ও প্রশাসনিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা দেখা গেছে। প্রথমেই আমরা সকল বেসরকারি প্রশিক্ষণপ্রার্থীকে আশ্বস্ত করতে চাই যে, যোগ্য বেসরকারি প্রশিক্ষণপ্রার্থীরা প্রশিক্ষণ ভাতার আওতাভুক্ত থাকবেন। ভাতা প্রদানের ক্ষেত্রে বেসরকারি প্রার্থীদের বাদ দেওয়ার কোনো সিদ্ধান্ত বা পরিকল্পনা নেই।’
তারা জানান, মন্ত্রণালয় সম্ভাব্য উপকারভোগীদের একটি আনুমানিক সংখ্যা নির্ধারণের উদ্যোগ নিয়েছে, যাতে আর্থিক বরাদ্দ ও ব্যয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা যায়। অতীতের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে একটি প্রাথমিক সংখ্যা নির্ধারণ করা হলেও এর সঙ্গে ভাতা পাওয়ার যোগ্যতা সীমিত করার কোনো সম্পর্ক নেই। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় শিগগিরই একটি সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি জারি করবে বলেও জানান তারা।
প্রশিক্ষণকালীন পদায়ন ও প্রশিক্ষণ কাঠামো প্রসঙ্গে কাউন্সিলররা বলেন, নতুন কাউন্সিল দায়িত্ব গ্রহণের পর বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে একটি বাস্তবসম্মত ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন কাঠামো প্রণয়ন করা হবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিসিপিএস সবসময় প্রশিক্ষণের গুণগত মান, একাডেমিক উৎকর্ষ, কার্যকর মনিটরিং এবং আন্তর্জাতিক মানের পোস্টগ্র্যাজুয়েট মেডিকেল শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রশিক্ষণের মান ক্ষুণ্ণ হয়—এমন কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ নেই।
কাউন্সিলররা জানান, সম্প্রতি আলোচিত নোটিশটি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা হয়েছে। বিসিপিএসের সাংগঠনিক কাঠামো ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় বর্তমানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা ও সমন্বয়ের পর্যায়ে রয়েছে।
বিবৃতিতে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধৈর্য ধারণ করে অফিসিয়াল সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করার অনুরোধ জানান কাউন্সিলররা। তারা বলেন, বিসিপিএসের নিজস্ব লেটারহেড ও অফিসিয়াল মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য ছাড়া অন্য কোনো তথ্যের ভিত্তিতে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ। একই সঙ্গে চিকিৎসা শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, মূল্যায়ন ও একাডেমিক মানোন্নয়নের লক্ষ্যে বর্তমান কাউন্সিল কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান তারা।
এফসিপিএসের নতুন প্রশিক্ষণ নীতিমালা চূড়ান্ত হয়নি: বিসিপিএস’র ব্যাখ্যা
Recent Comments
on Hello world!


