হেলথ ইনফো ডেস্ক :
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাইদুর রহমানের বিদায় উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।
এ সময় স্বাস্থ্য মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিতসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের দশম ব্যাচের কর্মকর্তা মো. সাইদুর রহমান প্রায় সাড়ে ৩৪ বছর চাকরী শেষে সম্প্রতি স্বাস্থ্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে পেশাগত জীবনের সমাপ্তি টেনেছেন।
বিদায় অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য মন্ত্রী বলেন, ‘খুব কম সময়ের জন্য স্বাস্থ্য সচিব সাইদুর রহমানের সাথে কাজ করার সুযোগে দেখেছি তিনি একজন স্মার্ট, ধীর ও কর্মক্ষম কর্মকর্তা। চাকরী থেকে অবসর নিলেও তাঁর কাছ থেকে সমাজ অব্যাহতভাবে সেবা পাবে বলে বিশ্বাস করি।’
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিদায়ী স্বাস্থ্য সচিব চাকরীতে যেমন দক্ষতা দেখিয়েছেন তেমনি বৃদ্ধদের নিয়ে তিনি যে চ্যারিটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন তা প্রশংসনীয়। স্বাস্থ্য খাতে তাঁর অভিজ্ঞতা বিভিন্নভাবে জনসাধারণের কাজে লাগবে বলে আশা করি।’
বিদায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন কর্মকর্তা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, স্বাস্থ্য সচিব হিসেবে দায়িত্বপালনকালে মোঃ সাইদুর রহমান জনসাধারণের জন্য স্বাস্থ্য সেবা সহজ করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য চিকিৎসাসেবা সহজলভ্য করেত বিপুল সংখ্যক চিকিৎসক, নার্সসহ বিভিন্ন পদ সৃজন ও নিয়োগে দক্ষতার পরিচয় দেন। তাঁর কর্মকালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বেশকিছু প্রয়োজনীয় আইন, বিধি ইত্যাদি প্রণয়ন করা হয়।
তাঁর বিদায়ে আবেগাপ্লুত কর্মকর্তারা বলেন, নিয়মিত চাকরীর পাশাপাশি তিনি জনহিতকর কার্যেও সম্পৃক্ত আছেন যাতে মানুষের প্রতি তাঁর দরদ ও ভালবাসা প্রকাশ পায়।
বিদায়ী স্বাস্থ্য সচিব সাইদুর রহমান মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বপালনকালে তাঁকে সহযোগিতার জন্যে সহকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘জনসাধারণের স্বাস্থ্য সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে বেসরকারি খাতের সহযোগিতা নিলে সেবা প্রদান ফলপ্রসূ হবে। চক্ষু অপারেশন, হৃদরোগের চিকিৎসাসহ বিভিন্ন সাধারণ ও জটিল চিকিৎসায় এনজিওরা সহযোগিতা করছে। এই সহযোগিতা আরো বেশি করে নেয়া যেতে পারে যেহেতু সরকারের সম্পদ ও জনবলের সংকট রয়েছে।’ এসময় প্রান্তিক পর্যায়ে স্বাস্থ্য সেবা বাড়াতে কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানান।