Thursday, July 23, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধএকদিকে অনৈতিক প্রস্তাব অন্যদিকে দাপ্তরিক অ'নিয়ম কি চলছে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে

একদিকে অনৈতিক প্রস্তাব অন্যদিকে দাপ্তরিক অ’নিয়ম কি চলছে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বরগুনা ২৫০-শয্যা জেনারেল হাসপাতালে তত্ত্বাবধায়ক ও আবাসিক সার্জনের পাল্টাপাল্টি অ’ভিযোগ: বরগুনা ২৫০-শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. রেজওয়ানুর আলম (রায়হান) এবং হাসপাতালের আবাসিক সার্জন ও গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. লুৎফুন্নাহার লনীর মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্বাস্থ্য বিভাগে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। একদিকে অ-নৈতিক প্রস্তাব, ক্ষমতার অ’প’ব্যবহার ও হ’য়’রা’নির অ’ভিযোগ, অন্যদিকে দাপ্তরিক অ’নিয়ম, কর্মস্থলে অনুপস্থিতি এবং ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা থেকে মি/থ্যা অভিযোগ আনার দাবি—দুই পক্ষের অবস্থান একে অপরের সম্পূর্ণ বিপরীত!!

ডা. লুৎফুন্নাহার লনী গত ১৪ জুলাই স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব বরাবর লিখিত অভিযোগে দাবি করেন, ১৩ জুলাই হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক তাকে হোয়াটসঅ্যাপে কল করে নিজের কক্ষে ডেকে অনৈতিক প্রস্তাব দেন। তিনি সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। পরদিন ওয়ার্ড রাউন্ডের সময় অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সামনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে হেয় করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়, গত জুন মাসে হাসপাতালে যোগদানের পর থেকেই তত্ত্বাবধায়ক বিভিন্ন সময়ে অপ্রয়োজনীয়ভাবে কক্ষে ডেকে কুরুচিপূর্ণ ইঙ্গিত দিতেন। পাশাপাশি আউটডোরের রোগীদের নির্দিষ্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠিয়ে অনিয়মে জড়িত থাকার অভিযোগও তোলা হয়েছে। এসব ঘটনার কারণে তিনি কর্মস্থলে নিরাপত্তাহীনতা ও মানসিক চাপে রয়েছেন বলে অভিযোগ করেন।

অন্যদিকে ১৮ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর পাঠানো লিখিত জবাবে তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. রেজওয়ানুর আলম অভিযোগগুলোকে সম্পূর্ণ মি’থ্যা, বা’নোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন।

তার বক্তব্য অনুযায়ী, ডা. লুৎফুন্নাহার যোগদানের পর থেকেই দাপ্তরিক নিয়ম অনুসরণ করেননি। তিনি বায়োমেট্রিক হাজিরা নিবন্ধন এড়িয়ে গেছেন এবং ১৩ জুলাই আউটডোরে দায়িত্বে থাকা সত্ত্বেও সকাল ১১টা পর্যন্ত কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় সাংবাদিকদের অভিযোগের পর বিষয়টি যাচাই করে নিয়ম অনুযায়ী তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয় বলে তিনি দাবি করেন। তত্ত্বাবধায়ক আরও বলেন, বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত থাকাকালে সরকারি বাসা ভাড়া সংক্রান্ত একটি তদন্তে তিনি সদস্য ছিলেন। ওই তদন্তের ভিত্তিতে ডা. লুৎফুন্নাহারের বিরুদ্ধে প্রায় সাত লাখ টাকা সরকারি পাওনা নির্ধারণ করা হয়। তার দাবি, সেই পুরোনো ঘটনার ক্ষোভ থেকেই বর্তমান অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া বরগুনার সিভিল সার্জনের ইন্ধনে এই অভিযোগ করা হয়েছে বলেও তিনি তার জবাবে উল্লেখ করেছেন!!

এদিকে দুই পক্ষের অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগে হাসপাতালের প্রশাসনিক পরিবেশ নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। এক পক্ষ ক্ষমতার অপব্যবহার ও যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলছেন, অন্য পক্ষ দাপ্তরিক অনিয়ম, কর্মস্থলে অনুপস্থিতি এবং ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার অভিযোগ করছেন ।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments