Thursday, July 16, 2026
Google search engine
Homeআন্তর্জাতিকচক্ষু স্বাস্থ্যসেবায় বিশ্বব্যাপী নেতৃত্বে থাকবে বাংলাদেশ: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

চক্ষু স্বাস্থ্যসেবায় বিশ্বব্যাপী নেতৃত্বে থাকবে বাংলাদেশ: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

হেল্থ ইনফো ডেস্ক :
বিশ্বব্যাপী চক্ষু স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অনন্য এক নেতৃত্বের জায়গায় পৌঁছাতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ও আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য এবং চক্ষু বিশেষজ্ঞ ড. এম এ মুহিত।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ‘গ্লোবাল সামিট অন আই হেলথ’-এর সহ-আয়োজক হিসেবে বাংলাদেশ কাজ করতে সম্মত হয়েছে, যা দেশের স্বাস্থ্য খাতের সংস্কারকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরবে।

বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে ‘বাংলাদেশে অন্ধত্ব প্রতিরোধ ও দৃষ্টিশক্তি হ্রাস কমাতে চক্ষু চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়নে বিশেষ রোডম্যাপ’ শীর্ষক এক গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান।

সভায় স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. এ এস এম ক্বাদির, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের ড. ওয়াতিন আলম, বেসরকারি গবেষণা সংস্থা আর্ক ফাউন্ডেশনের পরিচালক রোমানা হক, রিসার্চ এসোসিয়েট বদরুদ্দীন সাইফিসহ দেশের শীর্ষ স্থানীয় বিশেষজ্ঞ ও আইএনজিও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত জানান, শহর থেকে গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত দেশের প্রতিটি মানুষের চক্ষু স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার, বেসরকারি সংস্থা, প্রাইভেট সেক্টর এবং দেশি-বিদেশি সংস্থার সমন্বয়ে একটি সমন্বিত ‘ন্যাশনাল আই কেয়ার প্ল্যান’ গড়ে তোলা হচ্ছে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী সপ্তাহেই একটি ‘ন্যাশনাল স্টেকহোল্ডার ওয়ার্কশপ’ অনুষ্ঠিত হবে এবং আগামী আগস্ট মাসের মাঝামাঝি সময়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করবে ‘স্পেক্স ২০৩০’ ইনিশিয়েটিভ।

চক্ষু সেবার ক্ষেত্রে তিনটি অতি জরুরি বিষয়ের ওপর জোর দিয়ে আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য এবং চক্ষু বিশেষজ্ঞ ড. মুহিত বলেন, দেশে বর্তমানে ১০ লক্ষাধিক মানুষ ছানিজনিত কারণে অন্ধত্ব বরণ করে আছেন। তাদের কাছে দ্রুত অস্ত্রোপচার সেবা পৌঁছানো আমাদের অগ্রাধিকার।

দ্বিতীয়ত, গ্রামে-গঞ্জে চশমার অভাবে লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ছে এবং মধ্যবয়সী কর্মক্ষম মানুষের উৎপাদনশীলতা প্রায় ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ হ্রাস পাচ্ছে। আমরা সব বয়সী মানুষের জন্য বিনামূল্যে ও সহজে চশমা প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে চাই।

তিনি আরও বলেন, অসংক্রামক ব্যাধি হিসেবে দেশে দ্রুত ডায়াবেটিস বাড়ছে। ডায়াবেটিসের কারণে মানুষ যাতে দৃষ্টিশক্তি না হারায়, সেজন্য অন্তত জেলা পর্যায় পর্যন্ত দ্রুত ‘ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি স্ক্রিনিং’ সেবা চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

হেলথ ডিপ্লোম্যাসির মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের এই যুগান্তকারী পরিবর্তন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অনন্য নজির স্থাপন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments