Take a fresh look at your lifestyle.

প্রচারণার ফাঁকে ডা. মনিষার প্রেসক্রিপশন

৪২

হেলথ ইনফো ডেস্ক :
দুপুর গড়িয়ে রাত। প্রত্যন্ত গ্রামের সারিসারি ঘরে ঘেরা একটি উঠান। সেখানে টেবিল-চেয়ার সাজানো।

টেবিলের পেছনে বাঁশের খুঁটিতে বাঁধা সাদা-কালো নির্বাচনী ব্যানার। সেখান থেকে হ্যান্ড মাইকে ভেসে আসছে শ্রমজীবী মানুষের কথা। কারও অভিযোগ, কারও দাবি, কারও আবার দীর্ঘদিনের ক্ষোভ।

এই উঠান বৈঠকের মাঝেই টেবিলের সামনে থামছে জনা কয়েক নারী-পুরুষ। কেউ এসেছে ভোটের কথা বলতে। কেউ এসেছে শরীরের অসুখ নিয়ে।

রাজনীতির ভিড় আর রোগীর লাইনের মাঝখানে বসে আছেন ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী। তিনি বরিশাল-৫ আসনের বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) মনোনীত এবং গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট সমর্থিত প্রার্থী।

সাদা এপ্রোন নেই। চেম্বারের পরিচিত কোনো সাজও নেই। সামনে একটি কাঠের টেবিল, পাশে কয়েকটি চেয়ার। এক হাতে ভোটের লিফলেট, অন্য হাতে স্টেথোস্কোপ। প্রচারণার শুরু থেকেই এভাবেই বিনা ফিতে রোগী দেখছেন ডা. মনীষা চক্রবর্তী।

বরিশালে তাঁর পরিচয় শুধু প্রার্থী হিসেবে নয়। অনেকের কাছে তিনি ‘গরিবের ডাক্তার’। শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজে পড়ার সময় থেকেই ছাত্র রাজনীতিতে যুক্ত।

এমবিবিএস পাস করার পর ৩৪তম বিসিএসে সুপারিশ পেলেও সরকারি চাকরির পথে হাঁটেননি। বেছে নিয়েছেন অন্য রাস্তা। সেই রাস্তায় হেটেঁ হেটেঁই প্রচারণার পাশাপাশি তিনি ফ্রিতে রোগী দেখেন।

শহরের গণ্ডি ছাড়িয়ে প্রত্যন্ত গ্রামেও মনীষা পরিচিত মুখ। এখন নির্বাচনের সময়। তাই সকাল হলেই বেরিয়ে পড়েন প্রচারণায়। হাঁটতে হাঁটতেই কথা বলেন, শোনেন। আর সেই ফাঁকেই রোগী দেখেন। কারণ তাঁর মতে, ভোট চাইতে গেলে আগে সমস্যা শুনতে হয়।

ভোটারদের সমস্যার তালিকায় থাকে উচ্চ রক্তচাপ, হাঁপানি, বহুদিনের গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা। তাই অনেকের হাতে প্রচারপত্রের সঙ্গে সঙ্গে চলে আসে প্রেসক্রিপশনও।

Leave A Reply

Your email address will not be published.