রেজওয়ান রেজা :
যদি জিজ্ঞেস করা হয় আজকের মার্কিন মুলুকের উত্থান এর অন্যতম নিয়ামক কি? তবে অনেকেই অনেক ফ্যাক্টর বলবেন, কিন্তু লক্ষ্য করলে দেখা যাবে সেই সব নিয়ামকই পৃথিবীর অন্যান্য অনেক দেশেও রয়েছে, তবে ঠিক কোন মুভ যুক্তরাষ্ট্রকে আজকের মাইটি মার্কিন মুলুকে রূপান্তর করেছে?
গত শতকের ত্রিশের দশকে গ্রেট ডিপ্রেশন থেকে বেড় হতে যুক্তরাষ্ট্র গোল্ড বেইজ ডলার এর পরিবর্তে ফ্লোটিং ডলারের নীতিতে শিফট করে, এরফলে ডলার ছাপিয়ে ডিপ্রেসন থেকে বেড় হয়। কিন্তু এর আফটার ইফেক্টে মূল্যস্ফীতি ঘটে এবং জিনিসপত্রে দাম বেড়ে যায়। তবে মাস্টার স্ট্রোকটা ছিল ডলারকে পেট্র ডলারে রূপান্তর, যেটা আজকের বিশ্ব অর্থনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রকে মোড়লে পরিনত করেছে। ওপেক বিশেষত সৌদি নেতৃত্বাধীন আরবরাষ্ট্রগুলি সত্তরের দশকে এই চুক্তিতে আসে যে আরব তেল বিক্রি হবে কেবল ডলারে, যার ফলে সমস্ত বিশ্বে ডলারের চাহিদা বেড়ে যায় আর যুক্তরাষ্ট্রের কাগজ প্রিন্টারে ঢুকেই হয়ে যায় বিশ্বের সব থেকে দামী বস্তুতে।
এই পেট্রডলারকে যারাই চ্যালেঞ্জ করেছে তাদেরই যুক্তরাষ্ট্র নির্মম ভাবে হত্যা করেছে। গাদ্দাফী আফ্রিকা ভিত্তিক গোল্ড বেইজ মুদ্রা চালুর পরিকল্পনা করায় পশ্চাদে বেয়নেট চার্জ করে হত্যাকরে একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হয়।
কিন্তু গত কয়েক শতকে চায়নার রকেট গতিতে উত্থান যুক্তরাষ্ট্র এর স্নায়ুযুদ্ধ পরবর্তী এক কেন্দ্রিক বিশ্ব ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে। এমনকি ডলারকে পাশ কাটাতে চায়নারনেতৃত্বে ওয়ার্ল ব্যাংক স্টাইলে ব্যাংক ও স্থাপন করা হয়েছে। আর এই চ্যালেঞ্জের ফাইনাল এরেনা হচ্ছে ইরান। ইরান ঘোষনা দিয়েছে হরমুজ থেকে জাহাজ চলতে হলে ইউয়ান এ পে করতে হবে। জায় মার্কিন পেডফাইল গ্রুপ ইরানে হামলা চলানর পর থেকে ইরান যতগুলি মিসাইল ছুড়েছে সব গুলির সম্মিলিত আঘাতের থেকে এটা বড় আঘাত। দেখা যাক কার পাসা চলে যায় কার টেবিলে…..