মন্তব্য প্রতিবেদন :
গতকাল ১১/৬/২৬ তারিখ তার আগের দিন বরিশাল শহরের কেএমসি হাসপাতালে আমাদের একজন সহকর্মীকে মারাত্মক আহত করায় আমারা কয়েকজন সহকর্মী ঐ হাসপাতাল ভিজিট করি।সংশ্লিষ্ট রুগীর চিকিৎসা বিষয়ক যাবতীয় বিষয় আমরা নিরীক্ষা করি, এবং মনেকরি রুগীটিকে ঐ হাসপাতালের সাধ্য অনুযায়ী সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
কোন অচেতন রুগি চিকিৎসায় আসলে তার শরীরে ৩ টি নল — ১ টি নাকে,একটা প্রস্রাবের পথে ও একটা সালাইন লাগানো একেবারেই প্রাথমিক কাজ। ওখানে তা-ই করা হয়েছে, কোন অবহেলা এমনকি কাউন্সিলিংও কোন ঘাটতি ছিল না। রুগীটিকে বলা যায় সম্মানের সাথে মধ্যম পর্যায়ের একটা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মারা গেছেন, তিনি সৌভাগ্যবান,প্রতিটি ব্যাক্তিকে মৃত্যু আলিংগন করতে হবে যাদের বেশিরভাগই এতটুকু যত্ন মৃতুকালে পায় না এ পৃথিবীতে।
আমরা আমাদের সহকর্মীকে আহত করার বিচার চাই। রাষ্ট্রের নিয়ম অনুযায়ী মামলা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আইন ভূমিকা সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারীদের। আমরা দেখতে চাই তারা তাদের কাজে শৈথিল্য করছেন না। মনে করি এরূপ একটি মামলায় আসামী গ্রেফতার ও চার্জশিট দাখিলে ১ সপ্তাহের বেশি সময় কাম্য নয়।
সকলের অবগতির জন্য জানাচ্ছি, আমাদের আইন প্রয়োগের কোন এখতিয়ার নাই, কিন্তু অনির্দিষ্টকালের জন্য এই জেলায় চিকিৎসাকে ” না ” বলার এখতিয়ার ও ক্ষমতা আমাদের আছে। প্রশাসনকে অনুরোধ রাখছি, আপনারা আমাদেরকে সেই পথে হাটাবেন না। এর বিচার আপনাদেরকে কিন্তু করতে হবে।
বিনীত
ডাঃ কবিরুজ্জামান,
সভাপতি, ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, বরশাল জেলা শাখা।
ও
উপদেষ্টা, কেন্দ্রীয় কমিটি।


