নিজস্ব প্রতিবেদক :
সারা দেশের ন্যায় বরিশালেও দেখা দিয়েছে হামের প্রাদুর্ভাব। বরিশাল বিভাগের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে গত জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ৮ জন শিশু মৃত্যুবরণ করেছে।
বরগুনায় ৩ জন, বরিশালে ১ জন, ভোলায় ২ জন এবং ঝালকাঠিতে ২জন ।
বিভাগে এখন পর্যন্ত ২৬৪ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন এরমধ্যে ২২৭ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।
দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষের চিকিৎসার ভরসাস্থল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগে আজ বুধবার হাম ওয়ার্ডে গত ২৪ ঘন্টায় ভর্তি হয়েছে ২৩ জন শিশু। হাম রোগ নিয়ে মোট ৫২ শিশু ভর্তি রয়েছে ওয়ার্ডটিতে।
এই হাসপাতালে ৩টি আলাদা আইসোলেশন রুম করা হয়েছে। তবে এক একটি বেডে ৩ থেকে ৪ জন শিশুকে রাখা হয়েছে। পর্যাপ্ত স্থান ও বেড না থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর স্বজনরা।
ছোয়াচে এই রোগে স্বজনরাও রয়েছেন অনেকটা আতংকে। ঠাসাঠাসি করে এভাবে রাখার কারনে অন্যান্য রোগীরাও আতঙ্কে রয়েছে ওয়ার্টিতে।
শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালটিতে শিশুদের জন্য আইসিইউ কেয়ারের কোন ব্যবস্থা নেই।
বিভাগের সবচেয়ে বড় চিকিৎসা কেন্দ্র শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হাম রোগের চিকিৎসায় পর্যাপ্ত পরিমাণ সুযোগ সুবিধা এবং আইসিইউর কেয়ারের ব্যবস্থা না থাকায় চিকিৎসা সেবা দিতে অনেকটাই অসুবিধা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিশু বিভাগের প্রধান ডা. বিকাশ চন্দ্র নাগ।
পর্যাপ্ত স্থান এবং বেড ও জটিল রোগীদের জন্য আইসিইউ কেয়ারের ব্যবস্থা থাকাটা জরুরি মনে করছেন তিনি। এ বিষয়ে সরকার দৃষ্টি দিবেন বলে প্রত্যাশা তার।
এদিকে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক ডাক্তার শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল জানিয়েছেন, হাম প্রতিরোধে এবং এর চিকিৎসায় বিভাগের সকল হাসপাতালগুলোতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।