Take a fresh look at your lifestyle.

‘সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ গড়ায় স্বাস্থ্যকর্মীদের পাশাপাশি গণমাধ্যমের ভূমিকা অনেক বেশি’

৬৩

হেলথ ইনফো ডেস্ক :
স্বাস্থ্যসেবা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের পাশাপাশি গণমাধ্যমের ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে। তারা ভালোর সঙ্গে মন্দটাও তুলে আনেন। সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ গড়তে চিকিৎসক ও গণমাধ্যমকর্মীরা সমন্বিতভাবে কাজ করলে দেশের চিকিৎসা কাঙিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব হবে। সুতরাং সুস্থ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়তে সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা ও দায়িত্বশীল স্বাস্থ্যব্যবস্থার বিকল্প নেই।

আজ সোমবার (২ মার্চ) রাজধানীর কারওয়ানবাজারে দ্য রেইনি রুফ রেস্টুরেন্টে বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএইচআরএফ) ইফতার মাহফিলে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপক ও চিকিৎসক নেতারা।

বিএইচআরএফ’র সভাপতি প্রতীক ইজাজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ, ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের সেক্রেটারি অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হোসেন বকাউল, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল হোসেন ও ঔষধ শিল্প সমিতির (বাপি) কোষাধ্যক্ষ হালিমুজ্জামান।

এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজধানীর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট টিবি হাসপাতালের উপ পরিচালক ডা. আয়েশা আক্তার, আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর,বি) জনসংযোগ বিভাগের প্রধান তারিফুল ইসলাম, ইনসাফ বারাকাহ হাসপাতালের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন।
বর্ণাঢ্য আয়োজনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিএইচআরএফ সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদ শুভ, অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের অর্থ সম্পাদক আজাদুল ইসলাম আদনান।

অনুষ্ঠানে ড্যাব সভাপতি অধ্যাপক হারুন আল রশীদ বলেন, ‘আগামী দিনে স্বাস্থ্য খাতকে সমস্ত মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর যে চ্যালেঞ্জ, সেটি উত্তরণে শুধু চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের দিয়ে হবে না, বরং গণমাধ্যমেরও ভূমিকা অনেক বেশি থাকতে হবে। আগামীর সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ গড়তে চিকিৎসক ও গণমাধ্যমকর্মীরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিতে পারলে কাঙিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব হবে।

এনডিএফ সেক্রেটারি অধ্যাপক মাহমুদ হোসেন বকাউল বলেন, ‘রমজান মাস মূলত তাকওয়া (খোদাভীতি) অর্জনের মাস। সাংবাদিকদের জন্য তাকওয়া হলো সাদাকে সাদা, আর কালোকে কালো বলা। এতটুকু হলেই আমাদের দেশটা সুন্দরভাবে এগোবে। পাশাপাশি দেশপ্রেমের এই জায়গা থেকে আমরা যেন সবাই সত্যনিষ্ঠ হয়, এটাই হোক আমাদের চাওয়া।

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন বলেন, ‘স্বাস্থ্যখাত মানেই শুধু চিকিৎসক নয়, গণমাধ্যমকর্মী এখানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তারা ভালটা যেমন সামনে আনেন, মন্দটাও তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট টিবি হাসপাতালে উপ-পরিচালক ডা. আয়েশা আক্তার বলেন, রোজার সংযম ও পবিত্রতা সবাইকে সংযমী করুক ও সৎ পথে পরিচালিত করুক।

বিএইচআরএফ সভাপতি প্রতীক ইজাজ বলেন, ‘সব শ্রেণীর মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সবাইকে যার যার জায়গা থেকে সঠিকভাবে কাজ করতে হবে। আমাদের সবারই মূল লক্ষ্য থাকবে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। বিশেষ করে স্বাস্থ্যবিটে কর্মরত সাংবাদিকদের নির্মোহভাবে স্বাস্থ্য খাতের সকল ইতিবাচক ও নেতিবাচক কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে হবে।

পরে সংগঠনের পক্ষ থেকে সফলভাবে ইফতার আয়োজন সম্পন্ন করায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানানো হয়।

Leave A Reply

Your email address will not be published.