Barishal Health Info

সরকারের প্রতিবন্ধী অধিকার ও সেবা সুরক্ষা বিষয়ক স্টিয়ারিং কমিটি গঠন

হেলথ ইনফো ডেস্ক :
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার সুরক্ষা ও সমন্বিত সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘প্রতিবন্ধী অধিকার ও সেবা সুরক্ষা বিষয়ক স্টিয়ারিং কমিটি’ গঠন করেছে সরকার। এর সভাপতি হিসেবে আছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সদস্য-সচিব হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার।

মঙ্গলবার (১২ মে) প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের প্রতিকল্প পরিচালক-৩ হাসিবুল হাসান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

শনিবার (২৩ মে) প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, বিকল্প সভাপতি হিসেবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত রয়েছেন।

প্রতিবন্ধী অধিকার ও সেবা সুরক্ষা বিষয়ক ১২ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন—সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, কমিটি প্রয়োজনে সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে। যে সকল মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী নেই সে সকল মন্ত্রণালয়ের সচিব এই কমিটির সদস্য হিসেবে গণ্য হবে। এ ছাড়া ‘সচিব’ বলতে সিনিয়র সচিবও অন্তর্ভুক্ত হবেন বলে জানানো হয়েছে।

কমিটির কার্যপরিধির মধ্যে রয়েছে, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও সেবা প্রাপ্তির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কৌশলগত নেতৃত্ব ও নীতিগত দিকনির্দেশনা প্রদান। এছাড়া প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিতকরণে জাতীয় পরিকল্পনা গ্রহণ, পর্যায়ক্রমিক সম্প্রসারণ এবং বাস্তবায়ন কৌশল নির্ধারণ ও অনুমোদন প্রদান করা। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সমূহের মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করা এবং গৃহীত কর্মসূচিকে জাতীয় উন্নয়ন অগ্রাধিকার, প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন, ২০১৩, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার, জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) এবং জাতিসংঘের প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার সনদের (ইউএনসিআরপিডি) সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা কমিটির অন্যতম দায়িত্ব। পাশাপাশি উচ্চ-পর্যায়ের নীতিগত, আইনগত ও প্রশাসনিক বাধা চিহ্নিত করে তা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, নির্ধারিত বিরতিতে কর্মসূচির বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনে স্বাধীন মূল্যায়ন বা বিশেষজ্ঞ সমীক্ষা পরিচালনার নির্দেশ প্রদান করা হবে। কমিটির সভা প্রতি তিন মাসে ন্যূনতম একবার অনুষ্ঠিত হবে।

Exit mobile version