Take a fresh look at your lifestyle.

বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে স্বাস্থ্যখাতে এক লাখ কর্মী নিয়োগের প্রতিশ্রুতি

৬২

হেলথ ইনফো ডেস্ক :
নির্বাচিত হলে স্বাস্থ্যখাতে দেশব্যাপী এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঘোষিত দলের নির্বাচনী ইশতেহারে এ প্রতিশ্রুতির কথা জানানো হয়। এ ইশতাহার ঘোষণা করেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ইশতেহারে স্বাস্থ্যখাতকে অন্যতম অগ্রাধিকার খাত হিসেবে উল্লেখ করে এ খাতে একাধিক প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরা হয়েছে।

ইশতেহারে থাকা নয়টি প্রধান প্রতিশ্রুতির মধ্যে তিন নম্বর প্রতিশ্রুতিতে বলা হয়েছে, দুর্নীতিমুক্ত ও মানবিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে দেশব্যাপী এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। পাশাপাশি জেলা ও মহানগর পর্যায়ে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণ, মা ও শিশুর পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ এবং রোগ প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম জোরদার করার কথা বলা হয়েছে।

নির্বাচনী ইশতেহারের দ্বিতীয় অধ্যায়ের ১৯ নম্বর পৃষ্ঠায় ‘স্বাস্থ্যসেবা’ শিরোনামে উল্লেখ করা হয়েছে, স্বাস্থ্য কোনো সুযোগ-সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার। ‘সবার জন্য স্বাস্থ্য’ নীতির আলোকে সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা (ইউনিভার্সাল হেলথ কভারেজ) নিশ্চিত করাই বিএনপির লক্ষ্য। একই সঙ্গে প্রত্যেক নাগরিককে মর্যাদা ও সম্মানের সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার অঙ্গীকার করা হয়েছে।

ইশতেহারে স্বাস্থ্য খাত উন্নয়নে বেশ কিছু সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—স্বাস্থ্যখাতে জিডিপির পাঁচ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিত করা, ই-হেলথ কার্ড চালু, বিনা মূল্যে মানসম্মত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান এবং প্রতিটি জেলায় আধুনিক সেকেন্ডারি স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট প্রতিষ্ঠা।

এ ছাড়া দুর্নীতিমুক্ত স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা গড়ে তোলা, রোগ প্রতিরোধ ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, মা ও শিশুর পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং প্রাণঘাতী রোগের চিকিৎসায় পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

ইশতেহারে আরও বলা হয়েছে, ওষুধ ও ভ্যাকসিন সরবরাহ নেটওয়ার্ক উন্নত করা হবে। মহামারি ও মশাবাহিত রোগ নির্মূলে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ও পুষ্টি বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানো হবে। নিরাপদ পানি সরবরাহ, জাতীয় অ্যাম্বুলেন্স পুল ও জরুরি সেবা নেটওয়ার্ক গঠনের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য খাতে অটোমেশন জোরদার করার অংশ হিসেবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক জাতীয় ই-প্রেসক্রিপশন ব্যবস্থা ও প্রেসক্রিপশন অডিট চালুর পরিকল্পনার কথাও ইশতেহারে রয়েছে। পাশাপাশি মেডিকেল শিক্ষার মানোন্নয়ন, স্বাস্থ্যকর্মীদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, স্বাস্থ্যখাতে সহিংসতা রোধ, মেডিকেল বর্জ্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা, সমন্বিত পুষ্টি কর্মসূচি এবং তামাক ব্যবহারজনিত অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণের বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.