Take a fresh look at your lifestyle.

নবনিযুক্ত স্বাস্হ্য প্রতিমন্ত্রীর জীবনি

৫১

হেলথ ইনফো ডেস্ক :
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আজ শপথ নিয়েছেন প্রফেসর ডা. এম এ মুহিত। আমার ধারণা সাধারণ মানুষ তো বটেই অধিকাংশ চিকিৎসকেরও ধারণা নেই তার যোগ্যতা সম্পর্কে।

তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজের ৪৬ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার ডিগ্রিগুলো যদি সাজাই

MBBS (DMC)
MSc (London)
MSc (Bristol)
PhD (London)

প্রফেসর ডা. এম এ মুহিত আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একজন স্বীকৃত গবেষক। তিনি লন্ডনের বিখ্যাত ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন থেকে এমএসসি এবং লন্ডন স্কুল অফ হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিন থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। বিশ্ববিখ্যাত সব জার্নালে তার ১৩০টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে এবং তিনি ৩০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

তার স্বাস্থ্য ও জনসেবা কার্যক্রম আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিস্তৃত। তিনি CSF Global-এর প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাংলাদেশ ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং নেপালে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এছাড়া, তিনি GLM-CPR নেটওয়ার্কের অন্যতম নীতিনির্ধারক হিসেবে বিশ্বের ২৮টি দেশের ৮০টিরও বেশি সংস্থার নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে প্রফেসর ডা. মুহিত ‘প্রফেসর মতিন আই কেয়ার সিস্টেম’এর মাধ্যমে ১১টি আধুনিক চক্ষু হাসপাতাল এবং শাহজাদপুরে একটি মা ও শিশু হাসপাতাল গড়ে তুলেছেন। তার প্রতিষ্ঠিত এই কেন্দ্রগুলো হাজার হাজার মানুষের অন্ধত্ব দূরীকরণ ও মা-শিশুর চিকিৎসায় বিশেষ ভূমিকা রাখছে।

এছাড়া তিনি ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ এশিয়ার বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তার পিতার নাম প্রফেসর ডা. এম এ মতিন। তিনি একজন বরেণ্য চক্ষু বিশেষজ্ঞ। বাংলাদেশ সরকারের সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও উপপ্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি কাজ করেছেন। তিনি বাংলাদেশ চক্ষু চিকিৎসা সমিতির সভাপতি, বিএনএস চক্ষু হাসপাতাল ও নর্থ বেঙ্গল মেডিকেল কলেজ এর প্রতিষ্ঠাতা এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সহ এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও উপাচার্য ছিলেন।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী প্রফেসর ডা. এম এ মুহিতের বড়ো ভাই প্রফেসর ডা. এম এ মুকিত বর্তমানে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্ডিওলজি বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

তাদের মামা ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে আজ শপথ গ্রহণ করেছেন।

আশা করি এই গুণী চিকিৎসক ও গবেষকের হাত ধরে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাত উন্নত হবে

Leave A Reply

Your email address will not be published.