Take a fresh look at your lifestyle.

দুই যুগ্মসচিবের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, ব্যবস্থা নিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ

79

স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের চিকিৎসা শিক্ষা শাখার দুই যুগ্মসচিব বেগম মল্লিকা খাতুন ও মোহাম্মদ আবদুল কাদেরের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে স্বাস্থ্য উপদেষ্টার কাছে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করেছেন ভুক্তভোগী এক ঠিকাদার ব্যবসায়ী। এই অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

ঢাকার মোহাম্মদপুর বাবর রোডের ব্যবসায়ী আবদুল কালাম স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম, জনপ্রশাসন সচিব এবং স্বাস্থ্য সচিব বরাবর পৃথক পৃথক তিনটি লিখিত অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন।

উপসচিব মো. ওলিউজ্জামান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, মল্লিকা খাতুন এবং আবদুল কাদেরের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন একই মন্ত্রণালয়ে কর্মরত থেকে নিয়োগ ও বদলী বাণিজ্যসহ বিভিন্ন মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজে সিন্ডিকেট তৈরি করে টেন্ডার বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত থাকা এবং বিভিন্ন মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের চাপ প্রয়োগ করে পছন্দের ব্যক্তিদের টেন্ডার পাইয়ে দেয়ার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা ঘুষ বাণিজ্য করার অভিযোগ আনয়ন করা হয়।

এমতাবস্থায়, তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

আবদুল কালাম তার লিখিত বক্তব্যে মল্লিকা খাতুন এবং তার সহযোগী আরেক যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ আবদুল কাদেরকে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও সেবা বিভাগের দুর্নীতির সিন্ডিকেটের মূল হোতা হিসেবে উল্লেখ করে অভিযোগপত্রে জানান, প্রায় নয় বছর ধরে এ বিভাগে বদলি বাণিজ্য, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট, মেডিকেল কলেজ সিন্ডিকেট, মেডিকেল, ডেন্টাল ও নার্সিং কলেজের আসন বৃদ্ধি, নতুন প্রতিষ্ঠান অনুমোদন ও নবায়ন, টেন্ডার বাণিজ্যের সঙ্গে তারা জড়িত। এমনকি সিন্ডিকেটটি বিভিন্ন মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের চাপ প্রয়োগ করে তাদের পছন্দের ব্যক্তিদের টেন্ডার পাইয়ে দিয়ে ওইসব ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কমিশন নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

এ অভিযোগের ভিত্তিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-১ শাখা থেকে দেওয়া উপসচিব মো. ওলিউজ্জামান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাদের বিরুদ্ধে আসা অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।

Leave A Reply

Your email address will not be published.