Take a fresh look at your lifestyle.

ওষুধের চাহিদার ৯৮% দেশেই উৎপাদন, ১৫৭ দেশে রপ্তানি: স্বাস্থ্যসেবা সচিব

৯৮

হেলথ ইনফো ডেস্ক :
বর্তমানে ওষুধের মোট চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশই স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হচ্ছে জানিয়ে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মোহাম্মদ কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘পাশাপাশি পৃথিবীর ১৫৭টি দেশে ওষুধ রপ্তানি করছে বাংলাদেশ।’

আজ রোববার (২৮ মার্চ) সকালে রাজধানীর পূর্বাচলে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে ১৭তম এশিয়া ফার্মা এক্সপোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প সমিতি ও জিপিইএক্সপো (এফজেডই) যৌথভাবে এই এক্সপোর আয়োজন করে।

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব বলেন, ‘এটি শুধু প্রদর্শনী নয়, বাংলাদেশে ফার্মাসিখাতে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার একটি প্রক্রিয়া। এশিয়া ফার্মা এক্সপোর মতো আয়োজনে আমাদের জ্ঞানের আদান-প্রদান হয়। বর্তমান সরকার ফার্মা সেক্টরের উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের ওষুধ খাততে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রেখেছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান। বর্তমান সময়ে এই খাতকে আরো সমৃদ্ধ করতে ভূমিকা রাখছে উদ্যোক্তারা।

তিনি বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ চাহিদার মাত্র ২০ শতাংশ ওষুধ উৎপাদনে সক্ষম ছিল। বাকি ৮০ শতাংশ ছিল আমদানি নির্ভর। বর্তমানে ওষুধের মোট চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশই স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হচ্ছে। পাশাপাশি নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে পৃথিবীর ১৫৭টি দেশে ওষুধ রপ্তানি করছে বাংলাদেশ।

ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. শামীম হায়দার শামীম হায়দার বলেন, বাংলাদেশের ওষুধ ১২২টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে পরিসর পর্যায়ক্রমে বাড়ছে। বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প গুণগত ও কার্যকারিতায় রক্ষা করছে। সেইসঙ্গে সুনাম ধরে রাখার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে রাখবে।

তিনি বলেন, স্বাধীনতাপরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ চাহিদার মাত্র ২০ শতাংশ ওষুধ উৎপাদনে সক্ষম ছিল। বাকি ৮০ শতাংশ ছিল আমদানিনির্ভর। বর্তমানে ওষুধের মোট চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশই স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হচ্ছে। পাশাপাশি নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে পৃথিবীর ১৫৭টি দেশে ওষুধ রপ্তানি করছে বাংলাদেশ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাপি মহাসচিব এবং ডেলটা ফার্মা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মো. জাকির হোসেন। এ ছাড়া আয়োজকদের পক্ষে বক্তব্য প্রদান করেন জিপিই এক্সপো লি. এর সিইও পারেশ জুরমারভালা।

এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প সমিতির সভাপতি আব্দুল মুক্তাদির।

Leave A Reply

Your email address will not be published.