Barishal Health Info

যেসব খাবারের মিশ্রণ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে উপকারী

হেলথ ইনফো ডেস্ক :
কোষ্ঠকাঠিন্য মানেই অস্বস্তি ও যন্ত্রণা। এ সমস্যা থেকে রেহাই পেতে খাওয়াদাওয়ার প্রতি সচেতন হওয়া জরুরি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, খাদ্যতালিকায় ভিটামিন, প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাটের সুষম মাত্রা বজায় রাখতে হবে। শুধু স্বাস্থ্যকর খাবার খেলেই হবে না, নিয়ম মেনে এবং সঠিক খাবারের সঙ্গে উপকারী খাবার মিলিয়ে খেলে মিলতে পারে বাড়তি সুফল।

কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে এমন কিছু খাবারের সংমিশ্রণ রয়েছে, যা হজমশক্তি বাড়াতে ও অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে।
পেয়ারার সঙ্গে অ্যালোভেরা জুস
অ্যালোভেরায় রয়েছে ভিটামিন এ, সি, ই, বি-১২, ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ও আয়রনের মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদান।

এছাড়া এতে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের অ্যামাইনো অ্যাসিড। অ্যালোভেরার জুস বিপাকক্রিয়া ও হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে।

এর সঙ্গে ফাইবারসমৃদ্ধ পেয়ারা খেলে উপকার আরও বাড়ে। পেয়ারা ভিটামিন ও অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ভরপুর। এটি ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোমের মতো সমস্যাও নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক।
রাঙালুর সঙ্গে ঘি
রাঙালুতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার ও ম্যাগনেশিয়াম থাকে, যা হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এর সঙ্গে ঘি মিশিয়ে খেলে উপকার আরও বেশি পাওয়া যেতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কোষ্ঠকাঠিন্য হলেই ওষুধ বা সাপ্লিমেন্টের ওপর নির্ভর না করে অনেক ক্ষেত্রে ঘরোয়া উপায় কার্যকর হতে পারে। ঘি ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতে এবং উপকারী কোলেস্টেরল বাড়াতে সহায়তা করে। এতে থাকা বিউটিরেট কোলন সুস্থ রাখতে ও প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। রাঙালু সেদ্ধ করে এর সঙ্গে এক চামচ ঘি ও এক চিমটি বিট লবণ মিশিয়ে খেতে পারেন।
ডুমুর ও টক দই
ডুমুরে রয়েছে প্রচুর ফাইবার। দুটি শুকনো ডুমুর ছোট টুকরো করে কেটে এক বাটি টক দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে হজমশক্তি বাড়তে পারে। এই খাবারের সংমিশ্রণ অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সহায়ক।
পালং শাক-কলার স্মুদি
একটি পাকা কলা, এক কাপ পালং শাক, এক কাপ আমন্ড দুধ, এক চামচ চিয়া বীজ ও এক চামচ মধু একসঙ্গে ব্লেন্ড করে স্মুদি তৈরি করতে পারেন। এর ওপর সামান্য বিট লবণ ছিটিয়ে খেলে তা হজমে সহায়তা করতে পারে।
পাকা পেঁপের সঙ্গে চিয়া বীজ
পেঁপেতে থাকা ‘প্যাপাইন’ নামের প্রাকৃতিক উৎসেচক প্রোটিন হজমে সাহায্য করে। এর সঙ্গে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডসমৃদ্ধ চিয়া বীজ মিশিয়ে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে উপকার পাওয়া যেতে পারে। তবে দীর্ঘদিন কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

 

 

Exit mobile version