Take a fresh look at your lifestyle.

দুস্থ শিশুদের মাঝে ড্যাবের ঈদ উপহার বিতরণ

৭৪

হেলথ ইনফো ডেস্ক :
ডক্টরস এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) উদ্যোগে দুস্থ শিশুদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ, আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার (১৪ মার্চ) জাতীয় সংসদের এলডি হল সংলগ্ন মাঠে উপহার প্রদান ও ইফতার আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

অতিথি হিসেবে ছিলেন ড্যাবের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি।

ড্যাব সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সার্বিক তত্ত্বাবধান ও সঞ্চালনা করেন সংগঠনের মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল।

অনুষ্ঠানে ইফতার মাহফিল উদযাপন উপ-কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মোস্তাক রহিম স্বপন, সদস্য সচিব ডা. রেজা মো. সামিউল হাসান (বাবু) উপস্থিত ছিলেন।

আরও উপস্থিত ছিলেন বিএমইউ ড্যাবের সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. এরফানুল হক সিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ডা. শেখ ফরহাদ, বিএমইউর ইউরোলজি বিভাগের চিকিৎসক ও ড্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব ডা. মোহাম্মদ জাফর ইকবাল, ড্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ডা. মো. শাহিদুল হাসান বাবুল, অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার-১ ও ড্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডা. মো. দেলোয়ার হোসেন টিটো প্রমুখসহ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ, পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ, জ্যেষ্ঠ চিকিৎসকসহ ড্যাবের সকল পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে দুস্থ শিশু, জুলাই গণঅভ্যুানে আহত জুলাই যোদ্ধা, বিগত ১৭ বছরে গুমের ও খুনের শিকার হওয়াদের পরিবারের সদস্যদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, স্বাস্থ্যসেবা সুযোগ নয়, বরং এটি মানুষের মৌলিক অধিকার। সরকার সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে আর নয় সর্বস্বান্ত হওয়া। দেশের মানুষের জন্য মানসম্মত চিকিৎসাসেবা মানুষের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দেয়া হবে। দেশের প্রতিটি মানুষ তার প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সেবা পাবেন, সামর্থ্য অনুযায়ী নয়।

প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে স্বাস্থ্যব্যবস্থার মূলভিত্তি ও স্তম্ভ হিসেবে গড়ে তোলা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেগুলোতে ২৪ ঘণ্টা অ্যাম্বুলেন্স সেবা নিশ্চিত করা হবে। উপজেলা হাসপাতালগুলো মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

স্বাস্থ্যকর্মীদের অধিকার, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, সকল চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীর জন্য আলাদা ক্যারিয়ার কাঠামো থাকবে। যোগ্যতা ও কর্ম দক্ষতার ভিত্তিতে তাদের পদোন্নতি-পদায়ন করা হবে।

মেডিকেল শিক্ষা ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় আধুনিকায়ন করা হবে। চিকিৎসা বর্জ্যের নিরাপদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, জেলা-উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী সকলকেই যথাসময়ে অফিসে আসতে হবে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেগুলো দালালমুক্ত করা হবে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেগুলো চিকিৎসকসহ কর্মরত অনেকেই যথাসময়ে আসেন না বা অনুপস্থিত থাকেন—এই অবস্থার অবশ্যই পরিবর্তন ঘটাতে হবে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.