Take a fresh look at your lifestyle.

জরায়ুমুখ ক্যান্সার নির্মূলে ২০৩০ সাল নাগাদ ডব্লিউএইচওর তিন লক্ষ্য

১০৭

হেলথ ইনফো ডেস্ক :

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ২০৩০ সালের মধ্যে জরায়ুমুখ ক্যান্সার নির্মূলে তিনটি লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। ৯০ শতাংশ কিশোরীকে টিকাদানের আওতায় আনা, ৭০ শতাংশ নারীকে নিয়মিত স্ক্রিনিংয়ের মধ্যে রাখা এবং আক্রান্ত নারীদের ৯০ শতাংশকে কার্যকর চিকিৎসার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। পাশাপাশি ক্যান্সার আক্রান্ত নারীদের চিকিৎসা-পরবর্তী জীবনের অভিজ্ঞতার গল্প তুলে ধরার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জরায়ুমুখ ক্যান্সার সচেতনতা মাস উপলক্ষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে আয়োজিত একটি র‍্যালি ও পরবর্তী বিজ্ঞানভিত্তিক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব তথ্য জানান। ঢামেক হাসপাতালের গাইনি অ্যান্ড অবস বিভাগের গাইনি অনকোলজি ইউনিটের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে নারীদের মৃত্যুর দ্বিতীয় প্রধান কারণ জরায়ুমুখ ক্যানসার। তবে সময়মতো হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) টিকা গ্রহণ করলে এই ক্যানসার প্রায় সম্পূর্ণভাবে প্রতিরোধ করা সম্ভব। টিকাদানের পাশাপাশি নিয়মিত স্ক্রিনিং এবং সময়মতো চিকিৎসার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা। এ বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও (ডব্লিউএইচও) বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছে।

র‍্যালি ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞদের সংগঠন অবস্টেট্রিক্যাল অ্যান্ড গাইনোকোলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশের (ওজিএসবি) সভাপতি অধ্যাপক ডা. ফিরোজা বেগম, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের যুগ্ম সচিব ডা. মো. শিব্বির আহমেদ ওসমানী, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, উপাধ্যক্ষ ও গাইনি বিভাগের প্রধান ডা. মুসাররাত সুলতানা, অধ্যাপক ডা. আশরাফুন্নেসা, গাইনি অনকোলজি ইউনিটের প্রধান অধ্যাপক ডা. এস এম সাহিদা এবং উপ-পরিচালক ডা. মো. আশরাফুল আলম। এ ছাড়া গাইনি বিভাগের অন্যান্য চিকিৎসক, ইন্টার্ন চিকিৎসক ও নার্সরাও উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। উপ-পরিচালক ডা. মো. আশরাফুল আলম হাসপাতালভিত্তিক কার্যক্রমের পাশাপাশি কমিউনিটি পর্যায়ে জনগণের সম্পৃক্ততার ওপর গুরুত্ব দেন। এ সময় ডা. মির্জা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আধুনিক সব ধরনের সুবিধা রয়েছে।

অনুষ্ঠান শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সহযোগী অধ্যাপক ডা. রিফাত আরা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সহকারী অধ্যাপক ডা. আশফী লায়লা ইলোরা। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সহকারী অধ্যাপক ও গাইনি অনকোলজি ইউনিটের সদস্য ডা. মির্জা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।
সূত্র : মেডিভয়েস

Leave A Reply

Your email address will not be published.