Take a fresh look at your lifestyle.

আনুষ্ঠানিকভাবে ডব্লিউএইচও থেকে বের হয়ে গেল যুক্তরাষ্ট্র

১০৩

 

হেলথ ইনফো ডেস্ক :
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বের হয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাক্ষরিত এক নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে এক বছর আগে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগ (এইচএইচএস) এবং পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ডব্লিউএইচও থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

এইচএইচএসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের মতে ডব্লিউএইচও তাদের মূল লক্ষ্য থেকে সরে গেছে। সংস্থাটি সংস্কার, জবাবদিহি ও স্বচ্ছতার প্রয়োজনীয় মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হয়েছে বলেও তারা মনে করে।

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় ডব্লিউএইচওর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত প্রশ্নবিদ্ধ। বৈশ্বিক স্বাস্থ্যগত জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে সংস্থাটি দেরি করেছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থবিরোধী অবস্থান নিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, চীন ও অন্যান্য দেশের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্র ডব্লিউএইচওতে বেশি অর্থ সহায়তা দিয়েছে। অথচ ডব্লিউএইচওর ইতিহাসে এখনো কোনো মার্কিন নাগরিক সংস্থাটির মহাপরিচালক হননি বলেও উল্লেখ করা হয়।

জাতিসংঘের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো দেশকে ডব্লিউএইচও ছাড়তে হলে এক বছর আগে আনুষ্ঠানিকভাবে জানাতে হয়। ট্রাম্প গত বছর নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করার পর যুক্তরাষ্ট্র বিষয়টি ডব্লিউএইচওকে অবহিত করে।

জাতিসংঘের তথ্যমতে, ২০২৪–২৫ অর্থবছরের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ঘোষিত ২৭ কোটি ডলারের বেশি অনুদান এখনো বকেয়া রয়েছে। তবে এইচএইচএসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, ডব্লিউএইচওর সংবিধান অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র আইনগতভাবে এই অর্থ পরিশোধে বাধ্য নয় বলে ট্রাম্প প্রশাসন মনে করে।

হোয়াইট হাউস এক বিবৃতিতে জানায়, ডব্লিউএইচওর কাঠামোর বাইরে থেকেও যুক্তরাষ্ট্র বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য খাতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।

এইচএইচএসের এক কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগের বর্তমানে ৬৩টি দেশে দুই হাজারের বেশি কর্মী কাজ করছেন। শতাধিক দেশের সঙ্গে তাদের দ্বিপক্ষীয় স্বাস্থ্য সহযোগিতা চুক্তি রয়েছে।
রোগ পর্যবেক্ষণ, রোগনির্ণয় এবং মহামারি মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

এদিকে ডব্লিউএইচওর এক মুখপাত্র বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাহারের বিষয়টি আগামী ফেব্রুয়ারির শুরুতে সংস্থাটির নির্বাহী বোর্ডের সভায় আলোচনায় উঠবে। বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.